পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় ও সংশোধনের চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ শুরু হবার পথে। হয়তো আজ বিকালেই ঘোষণা হতে পারে। তারই আগে সোমবার সকালে রাজ্যের বিভিন্ন জেলাশাসকদের রদবদল করল রাজ্য সরকার। তার মধ্যে যেমন জেলাশাসকরা রয়েছেন তেমনি রয়েছেন অতিরিক্ত জেলাশাসকরাও। প্রশ্ন উঠছে নির্বাচন কমিশনের রক্ত চক্ষু বাড়াবার জন্যই কি এই রদবদল? যদিও রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর এস আই আর ও বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই রদবদল অবশ্যম্ভাবী ছিল।
১০ জেলাশাসক, এডিএম-সহ মোট ১৭ জন আমলাকে বদলি করা হল। নবান্ন থেকে এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। এ বিষয়ে স্পর্শকাতর জেলাগুলিতে বাড়তি নজর দেওয়া হয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, কোচবিহার, দার্জিলিং, মালদহ, পুরুলিয়া, মুর্শিদাবাদের জেলাশাসকদের বদলি করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সচিব পর্যায়ে ব্যাপক রদবদলের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক সুমিত গুপ্ত কলকাতার পুর কমিশনার পদে বদলি হয়েছেন। উত্তর চব্বিশ পরগনার জেলা শাসক শারদ দ্বিবেদী যাচ্ছেন স্বাস্থ্য দপ্তরে। সে জায়গায় পাঠানো হয়েছে শশাঙ্ক শেঠীকে শশাঙ্কর হাতে থাকা হিডকোর এমডি পদে বদলি করা হয়েছে মুর্শিদাবাদের জেলা শাসক রাজর্ষি মিত্রকে।মুর্শিদাবাদের নতুন জেলা শাসক হচ্ছেন মালদহের বর্তমান জেলা শাসক নীতিন সিংহানিয়া। মালদহের জেলা শাসক হচ্ছেন দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক প্রীতি গোয়েল।
কোচবিহারের জেলাশাসক অরবিন্দ মীনাকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা শাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কোচবিহারের জেলা শাসক হচ্ছেন রাজু মিশ্র। কলকাতা পুর কমিশনার ধবল জৈন হচ্ছেন বীরভূমের জেলা শাসক। বীরভূমের বর্তমান জেলা শাসক বিধান রায় যাচ্ছেন খাদ্য দপ্তরে। পুরুলিয়া জেলাশাসক রজত নন্দাকে বদলি করা হয়েছে পর্যটন দপ্তরে। উনিস ইসমাইলকে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। ঝাড়গ্রামের জেলা শাসক হয়েছেন আকাঙ্ক্ষা ভাস্কর। দার্জিলিং এর জেলা শাসক হচ্ছেন মনিশ মিশ্র।

